Jatra Booking: শুধু রথের দিন বিভিন্ন যাত্রাদল মিলিয়ে ৫০০০ হাজার পালা বুকিং হল। রথের দিনেই কয়েক কোটি টাকার যাত্রাপালা ব্যবসা হল নন্দকুমারে।
যাত্রাপালা বুকিং কাউন্টারে ভিড়
নন্দকুমার: হাল ফিরছে যাত্রাশিল্পের! অন্তত এবার রথ থেকে যাত্রা শিল্পে বুকিং সেই কথা বলছে। গ্রামবাংলা তথা বাঙালির প্রাচীন বিনোদনের মাধ্যম যদি কিছু থাকে তা হল যাত্রাশিল্প। এই যাত্রা শিল্পের বিস্তার ও ব্যাপ্তি বাঙালির মননে। একসময় কলকাতার বিখ্যাত যাত্রাপালা পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার যাত্রাপালাগুলি উৎসব অনুষ্ঠানে গ্রামেগঞ্জে রমরমিয়ে অনুষ্ঠিত হত। টিকিট কেটেও মানুষ যাত্রাপালা শোনার হুড়োহুড়ি পড়ে যেত। কিন্তু একটা সময় পর যাত্রাশিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল সাধারণ মানুষ। কিন্তু আবারও সেই পুরানো উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে যাত্রাশিল্পে। সাধারণত প্রতিবছর রথে বিভিন্ন যাত্রা দল তাদের নতুন বছরের যাত্রাপালার বুকিং শুরু করে।
২৭ জুন শুক্রবার রথের দিন নন্দকুমার এ যাত্রা বুকিং অফিসগুলিতে চরম ব্যস্ততা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে পুজো কমিটি, বিভিন্ন সংস্থার যাত্রা বুকিং করছে এদিন। কলকাতা সহ জেলার প্রতিটি যাত্রা দলের এবারের যাত্রাপালা বুকিং চলছে ভাল মতই। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী হাওড়া, ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু আয়োজক কমিটি যাত্রাপালা বুকিং এর জন্য এসেছেন। যাত্রাপালা বুকিং অফিসের মালিক অক্ষয় মাইতি জানান, ‘শুধু রথের দিন বিভিন্ন যাত্রাদল মিলিয়ে ৫০০০ হাজার পালা বুকিং হল। রথের দিনেই কয়েক কোটি টাকার যাত্রাপালা বুকিং হচ্ছে।’
যাত্রা বুকিং সেন্টারের মালিক অক্ষয় দুয়ারী জানান, কলকাতা থেকে নন্দকুমারে যাত্রাপালা বুকিং করলে অনেক সুবিধে পাওয়া যায়। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নন্দকুমারে এই যাত্রা বুকিং অফিস রয়েছে। এবছর খুব ভালই সাড়া পড়েছে। যাত্রা শিল্পীরা মনে করেন পূর্ব মেদিনীপুরের যাত্রা অনুরাগের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই এই রথযাত্রার দিনে বিভিন্ন পুজো কমিটি বা সংস্থা বুকিং করে রাখেন। সব মিলিয়ে যাত্রা দলের বুকিং ভালই পরিমাণ হচ্ছে। আর তাতেই যাত্রা দলের মালিক থেকে দল ম্যানেজার এমনকি বুকিং অফিসের লোকজনেরাও খুশি।






