বুধবার (১৬ জুলাই, ২০২৫) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি-নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বাংলাভাষী জনগণকে হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং অবিলম্বে এই ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ না করলে গেরুয়া দলকে ভয়াবহ রাজনৈতিক পরিণতির জন্য সতর্ক করেছেন।
কোলকাতা: গুরুতর बांग्लादेशियों के खिलाफ देश के कई राज्यों में चलाए जा रहे हैं अभियान को टीएमसी और बीजेपी आमने-सामने आए हैं। বুধওয়ারের পশ্চিমবঙ্গের প্রধান মমতা বান্জি ভারী বারিশের মধ্যে কোলকাতার রাস্তার ওপরে নেমেছেন এবং মার্চের বিরোধিতা করেছেন। র্যালীতে মমতা বান্জির নেত্রী লাগায়া কি বীজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলা কথা বলুন জান-বুকর সমস্যা হচ্ছে। মার্চে ডায়মন্ড হার্বরের পার্টি পার্টির বড় অভিষেক বন্জির নেতা অন্তর্ভুক্ত। মমতা বান্জি নেংগা বেঙ্গলি কার্ডের মতো এবং পরের পক্ষে যখন রাজ্যে আর এখন ভোট নয় নির্বাচনের জন্য সময় বাঁচানো হয়। পরবর্তী বছর মার্চ-অ্যাপ্রালে ভোট হবে। বীজেপির পরবর্তী নির্বাচনসমূহে পশ্চিমবঙ্গ কোণে অনেক আশা বসিয়েছেন।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে খোলা দল
রাজ্য নির্বাচন নির্বাচন থেকে প্রথম পশ্চিমবঙ্গে মমতা বানার্জী কেন্দ্র সরকার এবং বীজেপির বিরুদ্ধে মম খুলল। টিএমসি 21 জুলাই কোভিড তার শহিদের দিন রাইলি থেকে প্রথম বড় বড় জনসাধারণের প্রদর্শন থেকে বাঁচাচ্ছে, তারপরে বুধওয়ার পার্টি তার কৌশলে বড় আকার ধারণ করেছে। खुद ममता बनर्जी ने बारिश के बीच कोलकाता में मार्च निकाला। তিনি বলেন, ‘বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলায় কথা বলার লোকে-সমাঝি কৌশলের অন্তর্নিহিত হিরাসত গ্রহণ করা হচ্ছে।
ভাষার নামে বৈষম্যের বিস্তার
টিএমসি কাহিনি আছে কি ভাষাই পরিচয়ের উপর বাংলা কথা বলার কোন মৌলিক ভিত্তিটি জানাতে চেষ্টা করা হচ্ছে। ওডিশা में प्रवासी मजदूरों को हिरासत में ले गए और दिल्ली में बंगाली बोलने वाले लोगों को बेदखल किया गया। বীজেপির রাজ্যগুলিকে বংলাদেশী বলুন, বাংলার মনমানসিকতা থেকে হিরাসত নেওয়ার একটা বড়তা বেড়েছে। মার্চের সময় ममता बनर्जी ने कहा कि उनकी पार्टी बंगाली भाषियों के साथ हो विरोध के खिलाफ हमेशा आवाज उठाएगी। টিএমসি কোনো দামে লোকের জন্য সতর্কতা রক্ষা করবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বললেন?
সিম মমতা বনজী বলেন, তাদের সরকার এই ক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকার সামনে তুলে ধরছে। এই অনুষ্ঠানটিতে টিএমসিকে নেমন্তরা বলেছেন যে, ‘ওয়ে এই জলে’ সারা দেশে সচেতনতা ছড়িয়েছেন। সে পার্টি নেও এটাও ঘোষণা করেছে যে, তিনি এই বিএনপিতে একটি রাষ্ট্রব্যাপি আন্দোলন শুরু করবেন। বলুন যে গত দিনের অসম, ওডিশা, ও দিল্লি এবং রাজস্থানেও গুরুতর বাংলাদেশীয়দের বিরুদ্ধে প্রচার করা হয়েছে। বীজেপি নেতৃবৃন্দ এই অভিযানের দেশের সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যখন রাজস্থানে বাংলার মজদুরদের হিরাস্তে নেওয়া হয়েছিল তখন মমতা বান্জির দ্বারা সমস্ত ক্ষেত্রে পিএম মডেল থেকে চাপের দাবি কি ছিল।






