প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের মহান উদ্যোগে ১২,০০০ প্রাথমিক শিক্ষক ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন

SHARE:

 

 

Primary Teachers: সারা রাজ্যের মধ্যে প্রথম পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য ই পিএফ এর ব্যবস্থা। উপকৃত হবে জেলার প্রায় ১২ হাজারেরও বেশি প্রাথমিক শিক্ষকেরা।

ই-পিএফ ব্যবস্থার উদ্বোধনই-পিএফ ব্যবস্থার উদ্বোধন
ই-পিএফ ব্যবস্থার উদ্বোধন

তমলুক: রাজ্যের মধ্যে প্রথম পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য চালু হল ইপিএফ ব্যবস্থা। আর এই পরিষেবা চালুর ফলে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রায় ১২ হাজারের বেশি প্রাথমিক শিক্ষক উপকৃত হবেন। স্কুল শিক্ষা দফতরের উদ্যোগে এবার রাজ্যে প্রথমবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য অনলাইন পিএফ (প্রভিডেন্ট ফান্ড) পরিষেবা চালু করা হল। এই যুগান্তকারী প্রকল্পের প্রথম বাস্তবায়নস্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা।

এই পাইলট প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের পর আগামী দিনে এই অনলাইন পরিষেবা গোটা রাজ্যের শিক্ষক সমাজের মধ্যে বিস্তার লাভ করবে বলেই আশা। শুধু পিএফ নয়, ভবিষ্যতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ছুটি মঞ্জুর সংক্রান্ত আবেদন, সময় মত ছাড়পত্র, অনুপস্থিতির তথ্য এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজেও অনলাইন পদ্ধতির প্রসার ঘটানো হবে বলে জানা যায় প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ থেকে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিগত প্রায় ১০ বছর ধরে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হারে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা রাজ্যের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। এই কৃতিত্বের পিছনে রয়েছেন জেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা, যাঁরা ছাত্রছাত্রীদের ভিত গড়ার কারিগর হিসেবে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।

 

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য এই পি এফ এর ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান বলেন, তিনি আরও বলেন, এতদিন শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে কত টাকা জমা হচ্ছে, কত টাকা প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে, তার ওপর সুদ কীভাবে লাগছে এবং অন্যান্য সুবিধাগুলি সঠিকভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতেন। কিন্তু এখন থেকে দিনের আলোর মত সমস্ত তথ্য তাঁদের সামনে থাকবে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এজন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।

এই নতুন পরিষেবা চালুর ফলে জেলার প্রায় ১২,০০০ প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকা, যারা ৩,২৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিযুক্ত, তারা এখন থেকে অনলাইনে নিজেদের পিএফ ব্যালেন্স, সুদের পরিমাণ, জমার ইতিহাস এবং যাবতীয় নথিপত্র এক ক্লিকে জেনে নিতে পারবেন। এর ফলে আর কাউকে অফিসে গিয়ে পিএফ সংক্রান্ত খোঁজখবর নিতে হবে না। তমলুকের এক প্রাথমিক শিক্ষিকা অনন্যা সিনহা বলেন, ‘এই অনলাইন পি এফ পরিষেবা চালু হওয়ায় আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তথ্য জানার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে। এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’ এই অনলাইন পিএফ পরিষেবা চালুর মাধ্যমে তাঁদের কাজের স্বীকৃতি এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল।

 

Bangla Aaj kal
Author: Bangla Aaj kal

Leave a Comment

সবচেয়ে বেশি পড়ে গেছে