দিঘায় উল্টোরথ যাত্রার উৎসবে ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছে ভক্তরা। উল্টো রথে ভক্তদের লক্ষাধিক ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে রয়েছে বলে জানা যায় প্রশাসনের তরফ থেকে।
দিঘা জগন্নাথ মন্দির
দিঘা: দিঘায় উল্টোরথ যাত্রার উৎসবে ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। উল্টো রথে ভক্তদের লক্ষাধিক ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যায় প্রশাসনের তরফ থেকে। দিঘা জগন্নাথ ধাম ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের প্রথম বছরের রথযাত্রা মহোৎসবের সমাপ্তি হতে চলেছে শনিবার উল্টোরথ যাত্রার মধ্য দিয়ে। শনিবার মাসিরবাড়ির মন্দিরের প্রবেশদ্বার থেকে জগন্নাথ ধামের উদ্দেশ্যে রথ টানা শুরু হবে। দেড় হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকবেন। দমকল ও অ্যাম্বুল্যান্সের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকছে। রথযাত্রা শুরু থেকেই শহর আলোকসজ্জায় ঝলমল করছে।
২৭ জুন থেকেই মাসিরবাড়ির মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে আছে। ভক্তরা দলে দলে দেবদর্শনে আসছেন, জগন্নাথ ধামেও প্রচুর ভিড় দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে মাসিরবাড়ির মন্দির কমিটি দশ হাজার মানুষকে বসিয়ে মহাপ্রসাদ খাওয়ানোর বিশাল উদ্যোগ নিয়েছে। মাসিরবাড়ির মন্দির কমিটির সভাপতি সুশীল প্রধান জানিয়েছেন, উল্টোরথ যাত্রাকে ঘিরে সকলের মধ্যে উৎসবের উন্মাদনা তুঙ্গে। তিনি আশা করছেন, এবারও সমুদ্রনগরীর পথে অগণিত ভক্তের সমাগম ঘটবে। উল্টো রথের উৎসবে এসে দিঘায় ভক্তদের উচ্ছ্বাস। বনগাঁ থেকে আসা টুম্পা ঢালী জানান, ‘উল্টো রথের উৎসবে যোগ দিতে সপরিবারে দিঘায় এসেছি। গোটা মন্দির চত্বর থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট সুন্দর করে সাজান হয়েছে। দিঘায় এই রথযাত্রা উৎসব একটা বাড়তি পাওনা।’
শুধু টুম্পা ঢালী নয়, দিঘায় আসা বহু ভক্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। সেরকমই আরেক জন হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থেকে আসা বিমল পালও। জগন্নাথ ধাম সূত্র মতে, রথযাত্রার রীতি অনুযায়ী আট জুলাই পর্যন্ত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা রথেই অধিষ্ঠিত থাকবেন। এরপর সুনাবেশা অনুষ্ঠানে তাঁদের সোনার অলঙ্কারে সাজান হবে এবং সবশেষে নীলাদ্রি বিজয়ের মাধ্যমে তাঁরা মন্দিরের গর্ভগৃহে ফিরবেন। সব মিলিয়ে প্রথমবার দিঘায় রথযাত্রার উৎসবে আনন্দযজ্ঞের আয়োজন করেছে।






